এপিজে আবদুল কালাম মিসাইল ম্যান এর আত্নজীবনি APJ ABDUL KALAM prieopathak (প্রিয় পাঠক) Motivational speech and stories

এপিজে আবদুল কালাম মিসাইল ম্যান এর আত্নজীবনি APJ ABDUL KALAM

জীবনধারা

এপিজে আবদুল কালাম মিসাইল ম্যান এর আত্নজীবনি

APJ ABDUL KALAM

এপিজে আবদুল কালাম অর্থাৎ ভারতের মিসাইল ম্যান সম্পর্কে জানুন

হয়তোবা ভারতে এমন কোন একটি লোক খুজে পাওয়া যাবে না যে, এপিজে আবদুল কালাম অর্থাৎ মিসাইল ম্যান কে চেনেন না। এপিজে আবদুল কালাম অর্থাৎ মিসাইল ম্যান তার জীবনে এমন কিছু অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন যার কারণে তিনি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেছেন। এপিজে আবদুল কালাম ভারতের অন্যতম একজন বিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি একজন ভালো লেখকও ছিলেন, তিনি তার জীবনের হাজারো বাণী আমাদের জন্য রেখে গেছেন যেগুলো শুনলে আমরা মোটিভেট হই। ১৫ ই অক্টোবর ১৯৩১ সালে তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমে জন্মগ্রহণ করেন , ডঃ আউল পাকির জয়নুলাবদিন আব্দুল কালাম ওরফে মিসাইল ম্যান। তিনি একজন মহাকাশ বিজ্ঞানী ছিলেন এবং মে ১৯৯৮-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ডাঃ.কালাম 30টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রাপ্তির অনন্য সম্মানের সাথে ভারতের অন্যতম বিশিষ্ট বিজ্ঞানী। আরো আবদুল কালাম অর্থাৎ মিসাইল ম্যান একটি আত্মজীবনী সহ বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন, উইংস অফ ফায়ার (১৯৯৯)। তার অসংখ্য পুরস্কারের মধ্যে ছিল দেশের সর্বোচ্চ সম্মান দুটি, পদ্মবিভূষণ (১৯৯০) এবং ভারতরত্ন (১৯৯৭)। নাগরিক জীবনে ফিরে আসার পর, এপিজে আবদুল কালাম অর্থাৎ মিসাইল ম্যান ভারতকে একটি উন্নত দেশে রূপান্তর করার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন এবং বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। তিনি তার জীবনে কঠোর পরিশ্রম করে এগিয়ে গেছেন। ডক্টর কালাম ২৫শে জুলাই ২০০২-এ ভারতের ১১ তম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। তিনি তার জীবনের ঘটে যাওয়া সময়গুলো থেকে কিছু বানী আমাদের জন্য রেখে গেছেন, যা আমাদের জীবনে স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। মিসাইল ম্যান অর্থাৎ এপিজে আবদুল কালাম আমাদের ছেড়ে ২৭ শে জুলাই ২০১৫ সালে আমাদের ছেড়ে চলে যান। তার কিছু তথাকথিত বাণী নিচে দেয়া হল যা আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জাগাতে সাহায্য করে।

ভারতের মিসাইল ম্যান এর বাণী:

১) জীবনে কঠিন সব বাঁধা আসে, তোমায় ধ্বংস করতে নয় বরং তোমার ভীতরের লুকোনো শক্তিকে অনুধাবন করাতে | বাঁধাসমূহকে দেখাও যে তুমিও কম কঠিন নও।

২) যদি তুমি ব্যর্থ হও অর্থাৎ FAIL করো, তাহলে কখনো হাল ছেড়ে দিওনা | কারণ FAIL শব্দটার একটা অন্য মানে আছে First Attempt in Learning অর্থ্যাৎ শিক্ষার প্রথম ধাপ।

৩) তুমি যদি তোমার কাজকে স্যালুট করো, তাহলে তোমার আর কাউকে স্যালুট করতে হবেনা | কিন্তু যদি তুমি তোমার কাজকে অসম্মান করো,ফাঁকি দেও কিংবা অমর্যাদা করো, তাহলে তোমারই সবাইকে স্যালুট করে যেতে হবে।

৪) আপনাকে স্বপ্ন দেখে যেতে হবে, স্বপ্ন সত্যি হওয়ার আগে পর্যন্ত।

৫) সফলতার গল্পে কেবল একটা বার্তা থাকে কিন্তু ব্যর্থতার গল্পে সফল হওয়ার উপায় থাকে।

৬) আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যতক্ষণ না একজন ব্যর্থতার স্বাদ অনুভব করছেন, ততক্ষন তার মধ্যে সফল হওয়ার যথেষ্ট ইচ্ছা থাকবেনা।

৭) ছাত্রদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যে বৈশিষ্ট্যটা থাকা দরকার তা হলো প্রশ্ন করার ক্ষমতা, তাদের প্রশ্ন করতে দিন।

৮) আমরা শুধু সাফল্যের উপরই গড়ি না, আমরা অসফলতার উপরেও গড়ি।

৯) ছোট লক্ষ্য রাখা একটি অপরাধ।

১০) একজন খারাপ ছাত্র একজন দক্ষ শিক্ষকের কাছ থেকে যা শিখতে পারে, তার চেয়ে একজন ভালো ছাত্র একজন খারাপ শিক্ষকের কাছ থেকে অনেক বেশি শিখতে পারে।

১১) আমি সুদর্শন নই, কিন্তু আমি আমার হাত তার জন্য বাড়িয়ে দিতে পারি, যার সত্যি সাহায্যের প্রয়োজন | সৌন্দর্য থাকে মানুষের মনে, মুখে নয়।

১২) জীবনে কঠিন সব বাঁধা আসে, তোমায় ধ্বংস করতে নয় বরং তোমার ভীতরের লুকোনো শক্তিকে অনুধাবন করাতে | বাঁধাসমূহকে দেখাও যে তুমিও কম নও।

১৩) আমাদের সবার সমান মেধা নেই। তবে আমাদের সকলেরই সুযোগ রয়েছে প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর।

এপিজে আবদুল কালাম মিসাইল ম্যান এর আত্নজীবনি

প্রিয় পাঠক

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *